ঢাকা , শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬ , ৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বর্ষা ও মাহিরের ব্যক্তিগত স্পর্শকাতর ছবি-ভিডিও ডিলিট করতে বললে জোবায়েদ খুন হয় : আনজুম সুপ্তি


আপডেট সময় : ২০২৫-১০-২৫ ১৯:১৮:০৩
বর্ষা ও মাহিরের ব্যক্তিগত স্পর্শকাতর ছবি-ভিডিও ডিলিট করতে বললে জোবায়েদ খুন হয় : আনজুম সুপ্তি বর্ষা ও মাহিরের ব্যক্তিগত স্পর্শকাতর ছবি-ভিডিও ডিলিট করতে বললে জোবায়েদ খুন হয় : আনজুম সুপ্তি

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) শিক্ষার্থী ও শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য জোবায়েদ হোসেনকে হত্যার দায় প্রাথমিকভাবে স্বীকার করেছেন ওই ছাত্রী ও মাহির রহমান এমনটি জানা যায়। কিন্তু সোশ্যাল মিডিয়ায় ফারিহা আনজুম সুপ্তি জানান ভিন্ন তথ্য। 

 

তিনি জানান, বর্ষার বয়ফ্রেন্ড মাহিরের মায়ের সাথে কথা হলো দীর্ঘক্ষণ। এক মাস আগে মাহিরকে বর্ষার বাসায় ডেকে নেন তার মা বাবা। বর্ষা মাহিরের সাথে দীর্ঘদিনের প্রেমের সম্পর্ক ভেঙে দেন। বর্ষা নাকি মাহিরকে জানায়, সে জোবায়েদকে পছন্দ করে। তার সাথে নাকি বিয়ের কথা চলছে।

 

মাহিরের কাছে বর্ষা ও মাহিরের বেশ কিছু ব্যক্তিগত স্পর্শকাতর ছবি-ভিডিও ছিল।

 

সুপ্তির ভাষ্যমতে মাহিরের মায়ের দাবি, সেই ছবি ডিলিট করার কথা নিয়েই মাহিরের সাথে কথা-কাটাকাটি হয় জোবায়েদের। জোবায়েদ নাকি রাস্তা দিয়ে আসার সময় মাহিরের সাথে দেখা হলে ভিতরে ডেকে নিয়ে ছবি ডিলেট করতে বলে। এক পর্যায়ে ছুরিকাঘাতে মৃত্যু। মাহির নাকি তার মায়ের কাছে দাবি করেছে, ছুরি বের করেছে জোবায়েদ। সেখানে নিজেকে বাচাতে গিয়ে মাহিরের নাকি হাত কেটে যায়। পরে মাহির ছুরি তার হাতে নিলে, ধস্তাধস্তিতে জোবায়েদের গলায় বিঁধে যায়। পরে সেখান থেকে মাহির দৌঁ বাড়িতে চলে যায়।

 

সুপ্তি আরও জানান, মাহিরের মা রেখা রহমান কালকের ঘটনা নিয়ে আমার ছেলে যা বলেছে তা সত্য কিনা জানিনা। মাহির যা বলেছে সে আমি তাই জানালাম। আমাকে আমার ছেলে এসে জানায়, ওই ছেলে (জোবায়েদ) তখনও বেচে ছিল। পরে আমি রাতে ওই ছেলের মৃত্যুর খবর পাই। পরে আমার ছেলেকে সারারাত বুঝিয়ে সকাল ৬ টার পর চকবাজার থানায় গিয়ে নিজেই পুলিশের কাছে সোপর্দ করি। পরে সেখান থেকে জানানো হয়, ঘটনা বংশাল থানায় হওয়ায় বংশাল থানায় পাঠানো হবে। আমাকে পরে তথ্য জানানো হবে বললে আমি চলে আসি।

 

সুপ্তির ভাষ্যে মাহিরের মা রেখা রহমান বলেন, আমি ন্যায় বিচার পাওয়ার জন্য আমার ছেলেকে পুলিশের কাছে দিয়েছি নিজেই। সে অপরাধ করে থাকলে তার শাস্তি হোক। নিরপরাধ হয়ে থাকলে যেন শাস্তি না হয়। আমরা গরীব বলে বর্ষার মা-বাবা দীর্ঘদিনের প্রেমের সম্পর্ক মেনে নেয়নি। 

 

রোববার আনুমানিক বিকেল ৪টার ৪৫ মিনিটের দিকে ছাত্রীর বাসার তিন তলায় তিনি খুন হন। বাসার নিচ তলার সিঁড়ি থেকে তিন তলা পর্যন্ত সিঁড়িতে রক্ত পড়েছিল। তিন তলার সিঁড়িতে উপুড় হয়ে পড়ে থাকতে দেখা যায় তাকে।

 

সে রাতেই পুলিশ ওই মেয়েকে হেফাজতে নেয়। পরদিন প্রধান আসামি মাহির রহমান ও তার সহযোগী ফারদিন আহম্মেদ আয়লানকেও গ্রেপ্তার করা হয়।


 


নিউজটি আপডেট করেছেন : banglaralonews

কমেন্ট বক্স

প্রতিবেদকের তথ্য

এ জাতীয় আরো খবর

সর্বশেষ সংবাদ